মাদকাসক্তির ভয়াবহতা সম্পর্কে কুরআন ও হাদিস

Spread the love

ইসলাম শান্তির ধর্ম। আল্লাহ তা’লা তার সকল নিয়ামতের মধ্যে যেইসকল জিনিস মানুষের জন্য কল্যাণকর তা হালাল ও যা অকল্যাণকর তা হারাম বলে ঘোষণা করেছেন। ইসলামে মাদকদ্রব্য ও ধূমপানকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন >>  ১০০/- টাকার প্রাইজবন্ড ড্র ।। Prize Bonds Result

রাসুল (সাঃ) বলেছেন-
‘’নেশা জাতীয় যেকোনো দ্রব্য মদ, আর যাবতীয় মদই হারাম’’। (সহিহ মুসলিম)

আল্লাহ তা’লা বলেন-নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তিপূজা, ভাগ্য নির্ণায়ক শর, ঘ্রন্য বস্তু শয়তানের কাজ। তোমরা এসব থেকে দূরে থাকো। আশা করা যায় তোমরা সফলতা লাভ করবে। (সূরা আল-মায়িদা,আয়াত-৯০)

মাদকদ্রব্য সম্পর্কে হযরত উমর (রাঃ) বলেছেন-
‘’যা জ্ঞান-বুদ্ধি লোপ করে দেয় তা মাদকদ্রব্য’’। (সহিহ বুখারি)

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মাদকাশক্তি সম্পর্কে আরও বলেন-
‘’যেই বস্তুর বেশি পরিমানের মধ্যে মাদকাশক্তির কারন রয়েছে,তার অল্প পরিমানও হারাম’’। (তিরমিজি)

মাদকাশক্তি ব্যাক্তিরা সবসময় নামাজ, রোজা, যাকাত এবং যাবতীয় ইবাদতের ব্যাপারেই উদাসিন থাকে। মাদকের নেশা তাকে আল্লাহর স্বরণ করা থেকে দূরে রাখে, আর তাই পরকালে তার জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।

রাসুল (সাঃ) বলেছেন-
‘’মাদকাসক্ত ব্যাক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না’’। (সহিহ দারিমি)

আরো পড়ুন : ফজর নামাজ পড়ার ১০টি বড় ফজিলত

 

Check Also

হাদীসে বর্ণিত

হাদীসে বর্ণিত বিশেষ কয়েকটি মুনাজাত ও তার গুরুত্ব

Spread the loveহাদীসে বর্ণিত মুনাজাত সমুহ আলোচনা করার আগে আপনাদের আল্লাহ তার রাসুলের প্রতি বিশ্বাস …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *