দুনিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ৪০টি বাংলা হাদিস

600
বাংলা হাদিস

দুনিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ৪০টি বাংলা হাদিস

“নিঃসন্দেহ বিপদ আমাকে স্পর্শ করেছে, আর তুমিই তো দয়াশীলদের মধ্যে পরম করুনাময়” [সুরা আল আম্বিয়া-৮৩, আইয়ুব (আঃ) এর দোয়া]

“আমার প্রভু আমাকে একলা রেখোনা, আর তুমি উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ”। [সুরা আল আম্বিয়া -৮৯, জাকিরিয়া (আঃ) এর দোয়া]

“মুহাম্মদ (সঃ) তোমাদের লোকদের মধ্যের কোন একজনেরও পিতা নন, বরং তিনি হ”েছন আল্লাহর একজন রসুল, নবীগণের সীলমোহর, আর আল্লাহ হ”েছন সবকিছুতেই সর্বজ্ঞাতা”। [সুরা আল আহজাব-৪০]

“যে তওবা করে ও ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তারাই তবে বেহেশতে প্রবেশ করবে, আর তাদের প্রতি কোনো অন্যায় করা হবেনা”। [সুরা আল মরিয়ম-৬০]

“আমাদের প্রভু, আমাকে পরিত্রাণ করো, আর আমার পিতামাতাকেও আর বিশ্বাসিগণকেও, যে দিন হিসাব পত্র নেওয়া হবে তখন”। [সুরা আল ইব্রাহিম -৪১]

“তোমাদের প্রভুর কাছে পরিত্রাণ খোঁজ, তারপর তাঁর দিকে ফেরো, নিঃসন্দেহ আমার প্রভু অফুরন্ত ফল দাতা পরম প্রেমময়”। [সুরা আল হুদ-৯০]

“যে পরের অমঙ্গল করে, সে আমার উম্মতের অন্তর্গত নহে, আলেমগণ হইল পয়গম্বরগণের উত্তরাধিকারী। পরনিন্দাকারী, পরের দোষ চর্চাকারী বেহেস্তে প্রবেশ করিতে পারিবেনা। প্রকৃত মুসলমান ঐ ব্যক্তি যাহার জিহŸা ও হাত দ্বারা অন্য মুসলমান কষ্ট না পায়। দুনিয়া মুমিনদের জন্য কারাগারের মত, আর কাফেরদের জন্য বেহেস্তের সমতুল্য। শহরের মধ্যে আল্লাহর কাছে উত্তম¯’ান হইল মসজিদ সমুহ”। [আল হাদীস]

“এরাই তারা যারা আখেরাতের বদলে ইহ জীবন খরিদ করেছে। তাদের উপর থেকে শাস্তি লাঘব করা হবেনা, আর তাদের সাহয্যও দেয়া হবে না”। [সুরা আল বাকারা-৮৬]

আরও পড়ুন >> লঞ্চ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বাংলা রচনা – প্রবন্ধ

আরও পড়ুন >> Xiaomi 12 Pro কি কি থাকছে এবং দাম কত?

“তোমরা যদি আল্লাহর অনুগ্রহ গণনা করতে যাও তোমরা তা গুনতে পারবেনা। নিঃসন্দেহ আল্লাহই তো পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা”। [সুরা আল নাহাল-১৮]

“যারা তাদের প্রভুর সš‘ষ্টি লাভের অন্বেষনে অধ্যবসায় করে, নামাজ কায়েম রাখে আর যা জীবনোপকরন দিয়েছি তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, এরাই তারা যাদের জন্য রয়েছে চরম উৎকর্ষ আবাস”। [সুরা আল আর রাদ-২২]

“যে একটি ভালো কাজ নিয়ে আসে, তার জন্য রয়েছে দশটি অনুরূপ, আর যে একটি মন্দ কাজ নিয়ে আসে, তার প্রতিদান দেয়া হয় না তার অনুরূপ ব্যতীত, তাদের প্রতি অন্যায় করা হবে না”। [সুরা আল আনআম-১৬০]

“যারা আমাদের নির্দেশাবলীতে অবিশ্বাস পোষন করে, নিশ্চয়ই তাদের আমরা অচিরে আগুনে প্রবেশ করাবো। যতবার তাদের চামড়া পুরোপুরি পুড়ে যাবে ততবার আমরা সেগুলো বদলে অন্য চামড়া দেবো যাতে তারা শাস্তি আস্বাদন করে। নিঃসন্দেহ আল্লাহ হ”েছন মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী”। [সুরা আল নিসা-৫৬]

“নিঃসন্দেহ তোমাদের ওলী হ”েছন কেবলমাত্র আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল আর যারা ঈমান এনেছে, যারা নামাজ কায়েম করে, আর যাকাত আদায় করে আর তারা রুকুকারী” । [সুরা আল মায়িদাহ-৫৫]

“নিঃসন্দেহ সেই শুধু আল্লাহর মসজিদগুলো আবাদ করবে যে আল্লাহতে বিশ্বাস করে আর পরকালেও। আর নামাজ কায়েম করে ও যাকাত দেয়, আল্লাহ ছাড়া কাউকেও ভয় করে না, কাজেই এদের পক্ষেইসাব্যস্ত যে এরা হেদায়েত প্রাপ্তদের মধ্যকার হবে”। [সুরা আত তাওবাহ -১৮]

“তিনিই তো সূর্যকে করেছেন তেজস্কর আর চন্দ্রকে জ্যোর্তিময়, আর তার জন্য নির্ধারিত করেছেন আব¯’ান সমুহ যেন তোমরা জানতে পারো বছরের গণনা ও হিসাব। আল্লাহ এ সৃষ্টি করেননি সার্থকতা ছাড়া। তিনি নির্দেশাবলী বিশদ ব্যাখ্যা করেন সেইসব লোকের জন্য যারা জ্ঞান রাখে”। [সুরা আল ইউনুস-৫]

“তার সামনে রয়েছে জাহান্নাম আর তাকে পান করানো হবে নোংরা পচা জল। সে তা চুমুক দিয়ে পান করবে, সে তা সহজে গলাধঃকরণ করতে পারবে না। মরণ যন্ত্রণা তার কাছে আসবে সবদিক থেকে কিš‘ সে মরবে না”। [সুরা আল ইব্রাহীম ১৬-১৭]

“যে কেউ সঠিক পথে চলে সে তো নিজের জন্যেই সঠিক পথ ধরে। যে বিপথে যায় সে নিজের বিরুদ্ধেই বিপথে চলে। একজন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা কহন করবে না। আমরা শাস্তিদাতা নই যে পর্যন্ত না কোনো রাসুল পাঠিয়েছি”। [সুরা আল বনী ইসরাইল-১৫]

“ধন সম্পদ ও সন্তান সন্ততি পার্থিব জীবনের শোভা সৌন্দর্য কিš‘ ¯’ায়ী শুভকর্ম তোমাদের প্রভুর কাছে পুরুস্কার প্রাপ্তির জন্যে বেশী ভালো এবং আশা পুরণের জন্যেও অধিকতর শ্রেয়”। [সুরা আল কাহাফ -৪৬]
“সেই দিনে আমরা আকাশকে গুটিয়ে নিব যেমন গুটানো হয় নথিপত্র। যে ভাবে আমরা ১ম সৃষ্টির সূচনা করেছিলাম সেই ভাবে আমরা এটি পুনঃসৃষ্টি করবো। ওয়াদা রক্ষাকরণ আমাদের উপরে ন্যস্ত। নিঃসন্দেহ আমরা কর্মকর্তা”। [সুরা আল আম্বিয় -১০৪]

“এরা হ”েছ দুই প্রতিপক্ষ যারা তাদের প্রভু সম্বন্ধে বিতর্ক করে। তার পর যারা অবিশ্বাস পোষন করে তাদের জন্যে আগুনের থেকে পোশাক তৈরী করা হয়েছে। তাদের মাথার উপর থেকে ফুটন্ত পানি ঢালা হবে”। [সুরা আল হাজ্জ -১৯]

“আল্লাহ কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, তাঁর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্যও নেই, যদি থাকতো তবে প্রত্যেক উপাস্য আলবৎ নিয়ে যেত যা কিছু সে সৃষ্টি করেছে। তাদের কেউ কেউ অন্যদের উপরে প্রাধান্য বিস্তার করতো। সকল মহিমা আল্লাহর তারা যা আরোপ করে তা থেকে তিনি উর্দ্ধে”। [সুরা আল মুমিনুন -৯১]

“তুমি মুমিন পুরুষদের বলো যে তাদের দৃষ্টি অবনত করুক এবং তাদের আঙ্গিক কর্তব্যবলীর হেফাজত করুক। এ তাদের জন্য পবিত্রতর। তারা যা করে আল্লাহ সে বিষয়ে নিশ্চয়ই পূর্ণ ওয়াকিফ হাল”। [সুরা আন্ নূর-৩০]

আরও পড়ুন >> জসীমউদ্দীন এর দুটি বিখ্যাত কবিতা

“আল্লাহই সেইজন যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, তোমাদের জীবিকা দিয়েছেন, মৃত্যু ঘটাবেন, তারপর তোমাদের জীবনদান করবেন। তোমাদের আংশীদারদের মধ্যে কি কেউ আছে যে করতে পারে এগুলোর মধ্যে কোনো কিছু? সকল মহিমা তাঁরই, তারা যে সব অংশীদাঁড় করায় সে সব থেকে তিনি বহু উর্দ্ধে”। [সুরা আল রোম -৪০]

“যদি গাছপালা যা কিছু পৃথিবীতে আছে তা কলম হয়ে যেত, আর সমুদ্র এর পরে আরও ৭ সমুদ্র যোগ হয়, আল্লাহর কলেমা শেষ করা যাবে না। নিঃসন্দেহ আল্লাহ মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী”। [সুরা আল লোকমান-২৭]

“তুমি বলো নিঃসন্দেহ আমার প্রভু সত্য ছুঁড়ে থাকেন, তিনি অদৃশ্য বিষয়ে পরিজ্ঞত। সত্য এসেই গেছে আর মিথ্যের উৎপত্তি হবে না, এর পুনরুদ্ভাবও হবেনা”। [সুরা আস্ সাবা ৪৮-৪৯]

“নিঃসন্দেহ যারা আল্লাহর গ্রš’ পাঠ করে, নামাজ কায়েম করে, তাদের যে জীবনোপকরণ দান করেছি তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে খরচ করে, তারা এমন বানিজ্যের আশা রাখে যা কখনো বিনষ্ট হবে না”। (সুরা আল ফাতির -২৯)।

“যারা অনাচার করেছিল তাদের একত্র করো তাদের সহচরদেরও আর তাদেরও যাদের উপাসনা করতো আল্লাহকে বাদ দিয়ে, তাদের পরিচালিত করো দোজখের পথে”। [সুরা আস ছাফফাত -(২২-২৩)]

“নিঃসন্দেহ যারা বলে আমাদের প্রভু আল্লাহ, তাতে কায়েম থাকে তবে তাদের কোনো ভয় নেই, তারা নিজেরা অনুতাপও করবে না। এরাই হ”েছ বেহেস্তের বাসিন্দা, তাতেই তারা থাকবে ¯’ায়ীভাবে তারা যা করতো সে জন্য এক প্রতিদান”। [সুরা আল আহক্বাফ -(১৩-১৪)]

“ওহে যারা ঈমান এনেছো, যদি তোমরা আল্লাহকে সাহায্যে করো তবে তিনিও তোমাদের সাহায্যে করবেন, তিনি তোমাদের পদক্ষেপ সুদুঢ় করবেন”। [সুরা আল মুহম্মদ-৭]

“তিনিই সেইজন যিনি তাঁর রাসুলকে পাঠিয়েছেন পথনির্দেশ ও সত্য ধর্মের সাথে যেন তিনি একে প্রাধান্য দিতে পারেন সবকটি ধর্মের উপরে আর সাক্ষীরূপে আল্লাহই যথেষ্ঠো”। [সুরা আল ফাতহ-২৮]

“ হে জ্বিন ও মানুষেরা, যদি তোমরা মহাকাশ মন্ডল ও পৃথিবীর সীমারেখা থেকে বেরিয়ে যাবার ক্ষমতা রাখ তাহলে বেরিয়ে যাও। তোমরা অতিক্রম করতে পারবে না নির্দেশ ব্যতীত”। [সুরা আর রহমান-৩৩]

“নিঃসন্দেহ দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারীরা আর যারা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দান করে, তাদের জন্য তা বহু গুণিত করা হবে ও রয়েছে সম্মানিত পুরুস্কার”। [সুরা আল হাদীদ-১৮]

“আল্লাহর মোকাবিলায় তাদের ধনদৌলত কোনো কাজে আসবেনা, আর তাদের সন্তান সন্ততিও না। এরা হ”েছ আগুনের অধিবাসী। তারা তাতেই অব¯’ান করবে”। [সুরা আল মুজাদালাহ-১৭]

“তিনি আল্লাহ, সৃজনকর্তা, উদ্ভাবনকর্তা, রূপদাতা, তাঁরই হ”েছ সর্বাঙ্গ সুন্দর নামাবলী। মহাকাশমন্ডলে ও পৃথিবীতে যারা আছে তারা তাঁরই জপতপ করে, আর তিনি মহা শক্তিশালী, পরমজ্ঞানী”। [সুরা আল হাশর-২৪]

“ওহে যারা ঈমান এনেছ, যখন জুমুয়ার দিনে নামাজের জন্য আহবান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহর স্বরণে তাড়াতাড়ি করবে ও বেচা কেনা বন্ধ রাখবে। এটিই হ”েছ তোমাদের জন্য শ্রেয়, যদি তোমরা জানতে”। [সুরা আল জুমুয়া-৯]

“তোমার প্রভুর অনুগ্রহে তুমি কিš‘ পাগল নও। আর তোমার জন্য নিশ্চয়ই রয়েছে এমন এক প্রতিদান যা শেষ হবার নয়”। [সুরা আল্ কলম- (২-৩)]

“ধার্মিকরা নিশ্চয় থাকবে আনন্দেরই মাঝে, আর পাপাচারীরা আলবৎ থাকবে ভয়ংকর আগুনে”। [সুরা আল ইনফিতর-(১৩-১৪)]

“সে তো ঐজন যে এতীমদের হাঁকিয়ে দেয়, গরীব দুঃখীকে খাওয়ানোর ক্ষেত্রে উৎসাহ দেখায়না। ধিক সেইসব নামাজীদের প্রতি যারা স্বয়ং তাদের নামাজ সম্বন্ধে উদাসীন, যারা নিজেরাই হ”েছ লোক দেখিয়ে”। [সুরা আল মাউন-(২-৬)]

ভিডিও >> মাহফিলের অনুমতি নিতে হয় যে কোরআন জানে না